Columbus | ১৫ আগস্ট, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
সূর্যের ঝড় ১২ ঘণ্টা আগেই শনাক্ত করবে AI, নতুন দিগন্তে NASA পাঁচ ব্যাংক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফিরলেন প্রশাসকেরা বিএনপির স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন: সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে নতুন চার মুখ রায়গঞ্জে বিএনপির এমপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর রাজধানীর বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার ফিলাডেলফিয়ার তিন ব্যক্তি অনলাইনে ৬৮ মিলিয়ন ডলারের সরকারি চেক বিক্রির অভিযোগে অভিযুক্ত ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত মিয়ানমার, নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির শর্ত ডারউইনে ইতিহাসের হাতছানি, চতুর্থ দিনেই অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর স্বপ্ন বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফারুক মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা: তারেক রহমানের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের প্রতিফলন মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
হোম আন্তর্জাতিক সুশীলা কার্কি হলেন নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

সুশীলা কার্কি হলেন নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৩৫ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ 109
সুশীলা কার্কি হলেন নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

বিক্ষোভগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা, সরকারি দুর্নীতি ও রাজনৈতিক nepotism-এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হিসাবে শুরু হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞাটি তুলে নেওয়া হলেও উত্তেজনা থামেনি, বিক্ষোভ দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অন্তত ৫১ জন মারা যান, ও হাজারের বেশি আহত হয় বিক্ষোভকালে।

প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি জাতির মনোজগতে বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার এক প্রতীক। বিচার বিভাগে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দুর্নীতিবিরোধী মামলায় যুক্ত ছিলেন, যার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তার ইমেজ ইতিমধ্যেই দৃঢ় একটি নৈতিক অবস্থানের অধিকারী হিসেবে গড়ে উঠেছে।

নেপালের রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল ও সেনাপ্রধান আশোক রাজ সিগ্দেল, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এই অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনকে অনুমোদন দেন। পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে নতুন সাধারণ নির্বাচন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কার্জকর্তা সরকারের কাজ হবে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে দেওয়া, আন্দোলনে হতাহতদের জন্য বিচার নিশ্চিত করা, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া দক্ষ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদন করা।

সুশীলা কার্কি ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ শপথ নেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে। শপথ গ্রহণের আগের দিন থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া নিয়ে কিছু বিভেদ ছিল – তবে রাষ্ট্র ও সেনা বাহিনীর মধ্যস্থতায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহনযোগ্য হয়ে ওঠে।

এবারের পরিস্থিতিতে অনেকের মনে হচ্ছে, এই পরিবর্তন শুধু একটি প্রশাসনিক প্রয়োজনেই নয়, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মের (‘Gen Z’)-এর প্রত্যাশার একটা প্রতিফলন। আন্দোলনকারীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর স্বার্থ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান বিরোধ প্রদর্শন করেছে। নিউজ বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে — নতুন সরকার কত দ্রুত জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারবে, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অপব্যবহার ও বিক্ষোভ চলাকালীন মৃত্যুর জন্য তদন্ত ও বিচার কিভাবে হবে, এবং নির্বাচন সময়ে যথেষ্ট সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যাবে কি না। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে আনা হবে কি না, সেটাও আগামী মাসগুলোর বড় পরীক্ষা।