পেনসিলভানিয়া, ১৫ জুন, ২০২৬ | ১ আষাঢ়, ১৪৩৩

সর্বশেষ:
APWU Local Area #89 নির্বাচন ২০২৬: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত, ট্রাস্টি পদে বিজয়ী এমডি মাহিদুন্নবী রুকু ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ঐতিহাসিক জয়: টানা ৫ম বারের মতো জর্জিয়া স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হলেন শেখ রহমান ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে বাংলাদেশিদের ঐতিহাসিক বিজয় পেনসেলভেনিয়া উইমেন ফোরাম আয়োজিত মা দিবস উদযাপন পেনসিলভেনিয়ার আপার ডারবিতে বিশ্ব মা দিবস উদযাপন সারম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তি: বিশেষ পাসপোর্ট ঘিরে আলোচনা ও বিতর্ক আইভি লিগে ইতিহাস গড়ল আপার ডার্বির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী প্রেসিডেনশিয়াল এআই চ্যালেঞ্জে নর্থইস্ট আঞ্চলিক বিজয়ী আপার ডারবি হাই স্কুলের মাহিন ট্রাম্পের নৈশভোজ গুলি: হামলাকারী আটক, নিরাপত্তা জোরদার ফ্লোরিডায় ১৫ দিনের ব্যবধানে ৩ বাংলাদেশির রহস্যজনক মৃত্যু, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ফ্লোরিডায় দুই ডক্টরাল শিক্ষার্থীর মৃত্যু: রুমমেটের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে

৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “খেলাধুলা”

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:৪৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২৪

তানজিমা আক্তার

"কুতকুত"

আমাদের বাসাটা জুরাইনের বাসা হিসেবে পরিচিত।আমাদের একতালা বাড়ি ছিল কিন্তু বিশাল বড়।যখন ছোট ছিলাম আমরা ভাই বোনরা ছাদে খেলতাম। আমাদের শৈশবের খেলাগুলো ছিল খুবই সুন্দর যা আজকালের বাচ্চারা জানেও না যে আমরা কি খেলাধুলা করতাম। আমাদের ছাদে আমরা খেলতাম বরফ পানি,কুতকুত ,ফুলটোক্কা,কানামাছি,চোর-পুলিশ,কাটাকাটি,আরো সময়ের সাথে ভুলে যাওয়া কত যে খেলা ছিল।আম্মু দুপুরের পর জোর করে ঘুম পারাতো কিন্তু আমরা কেউ ঘুমাতাম না।মা একটু ঘুমালেই লুকিয়ে লুকিয়ে খেলতে চলে যেতাম।মার বকুনি খেতাম কিন্তু তারপর ও বার বার এমনটাই করতাম।

  "ফুলটোক্কা"

৯০ দশকের খেলাগুলো আমরাই হয়তো শেষবারের মত এত আনন্দের সাথে উপভোগ করতে পেরেছি।আজকের বাচ্চারা শুধু বুঝে ভিডিও গেমস আর ফোন।খুব ইচ্ছে করে বাচ্চাদের যদি আমাদের শৈশবের খেলাগুলো বুঝাতে পারতাম।কিন্তু বাচ্চারা এখন খুব আপডেট তারা এগুলো শুনতে চায় না।

৯০ দশকের খেলার কথা বলতে গেলে বিশ্বকাপ ফুটবলের কথা বলতেই হবে।সেইসময় কিন্তু আমাদের বাসার সবাই আর্জেন্টিনা সাপোর্টার ছিল।আর্জেন্টিনা খেলা হলে সবাই বসার ঘরে একসাথে দেখতাম।যখন গোল হত আমার জ্যাঠারা, ভাইরা ”গোলললল”বলে সেই জোরে চিৎকার দিত।আমরা তো সেই লাফালাফি করতাম।বিশ্বকাপ ফাইনাল যখন হত তখন একটা বড় কোক নিয়ে আসা হত।একবার আর্জেন্টিনা ছয় গোল করেছিল।কি যে আনন্দ ছিল আমাদের ভাই বোনদের।

খেলাধুলার কথা আসলে নানু বাসার কথা কি করে ভুলে যাই।কলাবাগান স্টাফ কোয়াটারে ছিল নানু বাসা। আমার নানা ছিলেন সচিবালয়ের কর্মরত অফিসার। নানু বাসার ঠিক সামনেই বিরাট বড় মাঠ ছিল মাঠের সাথে ছিল বিশাল বড় মসজিদ।আমরা একই সমান খালাতো মামাতো ভাই বোন ছিলাম বেশ কয়েকজন। নানা বাসায় গেলে বোনরা সবাই মিলে একসাথে সেই মাঠে খেলার কথা কি করে ভুলে যাই।আমার নানা সবসময় বড় জুব্বা ও টুপি পরে থাকতেন।উনি সবসময় আমাদেরকে ওনার পকেট থেকে চকলেট বের করে দিতেন।নানা-নানীর আদর আমরা সবাই সমান ভাবে পেয়েছি।আজ আমার নানা-নানী নেই।কিন্তু নানা-নানীর দেওয়া আদর, কথা সবই আমাদের ভাই বোনদের মাঝে স্মৃতি হয়ে আছে।আল্লাহ ওনাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক সবসময় দু’আ করি।

খুব ইচ্ছে ছিল খেলাগুলো কিভাবে খেলতাম তা কিছুটা বলার কিন্তু আজ আর হলো না হয়তো অন্য কোনদিন জানাবো অন্য কোনভাবে।

আশা করছি আমার লেখাটা পড়ে অনেকেই তার ৯০ দশকের খেলার স্মৃতি গুলো মনে করবে,আমারও এটাই প্রচেষ্টা।

চলবে…..

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad