পেনসিলভানিয়া, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

শেখ হাসিনার হুঁশিয়ারি: আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে দেশজুড়ে ভোট বয়কট হবে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:১৩ এএম, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে তার দলের কোটি কোটি সমর্থক ভোট বর্জন করবে। বর্তমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নির্বাসনে থাকা হাসিনা বুধবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দেন।

৭৮ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা শুধু অন্যায় নয়, এটি আত্মঘাতী পদক্ষেপ।”

তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তার দলকে বাদ দিয়ে যে কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের অধীনে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন না। হাসিনা বলেন, “আমি এমন কোনো সরকারের অধীনে ফিরব না, যে সরকার গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি—অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের—বিপরীতে দাঁড়ায়।”


২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্রদের নেতৃত্বে হওয়া সহিংস গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারত আশ্রয় নেন। সেই সময় থেকে বাংলাদেশ পরিচালনা করছে নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।


রয়টার্সকে ইমেইলে পাঠানো বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া মানে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তিকে ভোটের বাইরে রাখা, যা গণতন্ত্রের জন্য “অশুভ সংকেত”।

তিনি আরও জানান, তার দল রাজনৈতিকভাবে পুনর্গঠিত হয়ে “বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসবে” এবং জনগণের সঙ্গে থাকবেই।


হাসিনার এই বক্তব্যকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছে। কারণ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটার অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad