পেনসিলভানিয়া, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

বিদেশি ঋণ ছাড়ালো ১১২ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:০৩ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

চলতি ২০২৫ এর জুন শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১১ হাজার ২১৬ কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।


তথ্যানুযায়ী, বর্তমান বৈদেশিক ঋণের মধ্যে প্রায় ৮১ বিলিয়ন ডলারই বেড়েছে গত সাড়ে ১৫ বছরে। এ সময়ে সরকার আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, এআইআইবিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ব্যাপক হারে ঋণ নিয়েছে। এ সময়ে বেসরকারি উদ্যোক্তারাও বিদেশি উৎস থেকে কম সুদের ঋণে ঝুঁকেছেন।


তথ্য বলছে, বৈদেশিক এ ঋণের মধ্যে সরকারি খাতে রয়েছে ৮২ শতাংশ, আর বেসরকারি খাতে রয়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ।


তথ্যানুসারে, গত মার্চ মাসে বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ১০৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ১০ হাজার ৪৮০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে গত তিন মাসের ব্যবধানে বিদেশি ঋণের স্থিতি বেড়েছে ৭৩৬ কোটি ডলার। আর ছয় মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৮৪৩ কোটি ডলার; গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ ছিল ১০ হাজার ৩৭৩ কোটি ডলার।


গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয়। গত ২০২৪ সাল থেকে এ বৈদেশিক ঋণ বিপুল পরিমাণ পরিশোধ শুরু হয়। যা সরকারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। এ সময় দেশি-বিদেশি ঋণ ও সরকারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আবার বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হওয়ায় দেশে ডলারের সংকট তৈরি হয়। বিদায়ী সরকারের সময়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ, বিদেশি ঋণ বৃদ্ধি ও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও রিজার্ভের পতন ঠেকানো সম্ভব হয়নি। রিজার্ভ নামে ২৪ বিলিয়ন ডলারে।  

তবে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রিজার্ভে স্থিতিশীলতা এসেছে। প্রবাসী আয় বেড়েছে, পাশাপাশি বিদেশি ঋণের প্রবাহ চালু থাকায় ডলারের বিনিময় হারেও স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে।


সর্বশেষ বৈদেশিক ঋণের দায় পরিশোধের পাশাপাশি রিজার্ভ আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।



মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad