পেনসিলভানিয়া, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর ওপর 'ব্ল্যাক ম্যাজিক', গ্রেপ্তার মালদ্বীপের ২ মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:২৭ এএম, ২৮ জুন, ২০২৪

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর ওপর কালো জাদু করার অভিযোগে পুলিশ সেদেশের দুই কর্মরত মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে।গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার মালদ্বীপের পরিবেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শামনাজ সেলিম এবং তার প্রাক্তন স্বামী অ্যাডাম রমিজ। রমিজ ছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মন্ত্রী পদে। এছাড়াও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মালদ্বীপ পুলিশ। মুইজ্জুর ওপরে কালো জাদু করার চেষ্টার ঘটনাটি প্রথমবার সামনে আসে গত ২৩ জুন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর চার অভিযুক্তকে সাত দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। এরপর বুধবার শামনাজকে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। ঘটনা প্রসঙ্গে মলদ্বীপ পুলিশের প্রধান মুখপাত্র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার আহমেদ শিফান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, মুইজ্জুর সঙ্গে শামনাজ এবং রমিজ – দুজনেরই দীর্ঘদিন ধরে মুইজ্জুর সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। মুইজ্জু যখন মালের মেয়র ছিলেন, সেই সময় সিটি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন দুজনেই। মালদ্বীপ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত বছরের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর, শামনাজকে প্রথমে প্রেসিডেন্টের সরকারী বাসভবনের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।


পরে পরিবেশ মন্ত্রকে স্থানান্তরিত করা হয়। অন্যদিকে রমিজ, মুইজ্জুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসাবে পরিচিত হলেও, দীর্ঘদিন তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। গত পাঁচ মাস তিনি অন্তরালে ছিলেন। মালদ্বীপ সরকার বা প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মালদ্বীপে কালো জাদু করাটা ফৌজদারি অপরাধ নয়। তবে ইসলামি আইনের অধীনে এর জন্য ৬ মাস পর্যন্ত জেল হতে পারে। এদিকে এই ঘটনার পরে মলদ্বীপের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয় ধৃত ফাতিমা শামনাজ আলির নাম।

সূত্র : এনডিটিভি


মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad