পেনসিলভানিয়া, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৩ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন বিপিসির এলপিজি আমদানির অনুমোদন, বাজারে স্বস্তির আশা

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩৭ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিউইয়র্ক, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।


সোমবার রাতে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে নিহত দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা নিহত কর্মকর্তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবারের হাতে একটি ক্রেস্ট তুলে দেন।


সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ইসলাম ও আজহান ইসলাম, ভাই কামরুল হাসান, ভাইয়ের ছেলে আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম ও চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। এছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।


প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,

“পত্রিকায় ঘটনাটি পড়ে আমি হতবাক হয়েছিলাম। টিভিতে দেখেছি, নিউইয়র্কে তাঁর শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছিল। এত মানুষের শোক-শ্রদ্ধা-ভালোবাসা পাওয়া খুবই বিরল। নিউইয়র্ক সফরের পরিকল্পনা করার সময়ই মনে হয়েছিল আপনাদের সঙ্গে অবশ্যই দেখা করতে হবে।”


পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ছিলেন নিউইয়র্ক পুলিশের একজন দায়িত্বশীল ও প্রশংসিত কর্মকর্তা। তিনি ২০২১ সালে পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে কর্মরত ছিলেন। তাঁর রয়েছে দুই সন্তান।


গত ২৮ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউতে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত হন দিদারুল ইসলাম। এক তরুণ বহুতল করপোরেট ভবনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পরে আত্মহত্যা করে। হামলাকারীকে থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল প্রাণ হারান। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, তাঁর শরীরে আট থেকে দশটি গুলির চিহ্ন ছিল।


ছবিতে দেখা যায়, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিহত দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন এবং পরিবারের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। পাশে পরিবারের সদস্যরা ও সফরসঙ্গীরাও উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad