পেনসিলভানিয়া | ১৪ আগস্ট, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা: তারেক রহমানের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের প্রতিফলন মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: রিয়াদে প্রাণ গেল ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের নিউইয়র্কে করোনা ত্রাণ তহবিল জালিয়াতি: ৯ জনের দোষ স্বীকার, ফেরত দিতে হবে ১০ লাখ ডলারের বেশি কর-সংক্রান্ত জটিলতা ও আর্থিক তথ্য গোপনের প্রশ্নের মধ্যে পদত্যাগ করলেন আপার ডার্বি ট্রেজারার ড্যানি সাইদুজ্জামান অতিরঞ্জিত প্রশংসা বা অযৌক্তিক সংবাদ 🇧🇩 জুলাই বর্ষা বিপ্লবের দুই বছর 🇧🇩 বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাধারণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত APWU Local Area #89 নির্বাচন ২০২৬: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত, ট্রাস্টি পদে বিজয়ী এমডি মাহিদুন্নবী রুকু ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
হোম জাতীয় ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই

ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৬:৩৬ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২৫ 110
ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই

ঢাকা প্রতিনিধি:

ভাষাসৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)


১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া আহমদ রফিক দীর্ঘদিন নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করছিলেন। ২০০৬ সালে স্ত্রীকে হারান তিনি। নিঃসন্তান এই ভাষাসৈনিক জীবনের শেষভাগ কাটিয়েছেন একাকীত্বে। তাঁর একমাত্র সম্পদ ছিল বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিগত বইয়ের সংগ্রহ।



ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস রচনায় তিনি ছিলেন অন্যতম প্রাবন্ধিক। শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন আহমদ রফিক। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। দুই বাংলার রবীন্দ্রচর্চায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে স্বীকৃত। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি প্রদান করে।



২০১৯ সাল থেকে তার দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে শুরু করে। অস্ত্রোপচার করেও আশানুরূপ ফল পাননি তিনি। ২০২১ সালে পা ভেঙে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতির দিকে যেতে থাকে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি প্রায় সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন ছিলেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদান বিবেচনায় দেশের বুদ্ধিজীবীরা তার উন্নত চিকিৎসা ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার দাবি তুলেছিলেন।



মৃত্যুর আগে আহমদ রফিক তার দেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে দান করে যান—যা তার মানবিক ও জ্ঞানপিপাসু দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।