পেনসিলভানিয়া | ১৪ আগস্ট, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা: তারেক রহমানের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের প্রতিফলন মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: রিয়াদে প্রাণ গেল ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের নিউইয়র্কে করোনা ত্রাণ তহবিল জালিয়াতি: ৯ জনের দোষ স্বীকার, ফেরত দিতে হবে ১০ লাখ ডলারের বেশি কর-সংক্রান্ত জটিলতা ও আর্থিক তথ্য গোপনের প্রশ্নের মধ্যে পদত্যাগ করলেন আপার ডার্বি ট্রেজারার ড্যানি সাইদুজ্জামান অতিরঞ্জিত প্রশংসা বা অযৌক্তিক সংবাদ 🇧🇩 জুলাই বর্ষা বিপ্লবের দুই বছর 🇧🇩 বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাধারণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত APWU Local Area #89 নির্বাচন ২০২৬: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত, ট্রাস্টি পদে বিজয়ী এমডি মাহিদুন্নবী রুকু ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
হোম জাতীয় ৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “খেলাধুলা”

৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “খেলাধুলা”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৫:৪৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২৪ 574
৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “খেলাধুলা”

তানজিমা আক্তার

"কুতকুত"

আমাদের বাসাটা জুরাইনের বাসা হিসেবে পরিচিত।আমাদের একতালা বাড়ি ছিল কিন্তু বিশাল বড়।যখন ছোট ছিলাম আমরা ভাই বোনরা ছাদে খেলতাম। আমাদের শৈশবের খেলাগুলো ছিল খুবই সুন্দর যা আজকালের বাচ্চারা জানেও না যে আমরা কি খেলাধুলা করতাম। আমাদের ছাদে আমরা খেলতাম বরফ পানি,কুতকুত ,ফুলটোক্কা,কানামাছি,চোর-পুলিশ,কাটাকাটি,আরো সময়ের সাথে ভুলে যাওয়া কত যে খেলা ছিল।আম্মু দুপুরের পর জোর করে ঘুম পারাতো কিন্তু আমরা কেউ ঘুমাতাম না।মা একটু ঘুমালেই লুকিয়ে লুকিয়ে খেলতে চলে যেতাম।মার বকুনি খেতাম কিন্তু তারপর ও বার বার এমনটাই করতাম।

  "ফুলটোক্কা"

৯০ দশকের খেলাগুলো আমরাই হয়তো শেষবারের মত এত আনন্দের সাথে উপভোগ করতে পেরেছি।আজকের বাচ্চারা শুধু বুঝে ভিডিও গেমস আর ফোন।খুব ইচ্ছে করে বাচ্চাদের যদি আমাদের শৈশবের খেলাগুলো বুঝাতে পারতাম।কিন্তু বাচ্চারা এখন খুব আপডেট তারা এগুলো শুনতে চায় না।

৯০ দশকের খেলার কথা বলতে গেলে বিশ্বকাপ ফুটবলের কথা বলতেই হবে।সেইসময় কিন্তু আমাদের বাসার সবাই আর্জেন্টিনা সাপোর্টার ছিল।আর্জেন্টিনা খেলা হলে সবাই বসার ঘরে একসাথে দেখতাম।যখন গোল হত আমার জ্যাঠারা, ভাইরা ”গোলললল”বলে সেই জোরে চিৎকার দিত।আমরা তো সেই লাফালাফি করতাম।বিশ্বকাপ ফাইনাল যখন হত তখন একটা বড় কোক নিয়ে আসা হত।একবার আর্জেন্টিনা ছয় গোল করেছিল।কি যে আনন্দ ছিল আমাদের ভাই বোনদের।

খেলাধুলার কথা আসলে নানু বাসার কথা কি করে ভুলে যাই।কলাবাগান স্টাফ কোয়াটারে ছিল নানু বাসা। আমার নানা ছিলেন সচিবালয়ের কর্মরত অফিসার। নানু বাসার ঠিক সামনেই বিরাট বড় মাঠ ছিল মাঠের সাথে ছিল বিশাল বড় মসজিদ।আমরা একই সমান খালাতো মামাতো ভাই বোন ছিলাম বেশ কয়েকজন। নানা বাসায় গেলে বোনরা সবাই মিলে একসাথে সেই মাঠে খেলার কথা কি করে ভুলে যাই।আমার নানা সবসময় বড় জুব্বা ও টুপি পরে থাকতেন।উনি সবসময় আমাদেরকে ওনার পকেট থেকে চকলেট বের করে দিতেন।নানা-নানীর আদর আমরা সবাই সমান ভাবে পেয়েছি।আজ আমার নানা-নানী নেই।কিন্তু নানা-নানীর দেওয়া আদর, কথা সবই আমাদের ভাই বোনদের মাঝে স্মৃতি হয়ে আছে।আল্লাহ ওনাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক সবসময় দু’আ করি।

খুব ইচ্ছে ছিল খেলাগুলো কিভাবে খেলতাম তা কিছুটা বলার কিন্তু আজ আর হলো না হয়তো অন্য কোনদিন জানাবো অন্য কোনভাবে।

আশা করছি আমার লেখাটা পড়ে অনেকেই তার ৯০ দশকের খেলার স্মৃতি গুলো মনে করবে,আমারও এটাই প্রচেষ্টা।

চলবে…..